ঢাকা পোস্টের মতে, অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরকার‑টু‑সরকার (G2G) ভিত্তিতে গম আমদানি করার জন্য দুইটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপ্রস্তাব নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। দরপ্রস্তাব প্রাপ্তির পর সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষি শুরু হবে এবং গমের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এই নীতিগত অনুমোদন প্রদান করা হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের গম সরবরাহকারী সংগঠন ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েশন থেকে দুইটি প্রতিষ্ঠান—অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল ও লুই ড্রেফাস কোম্পানি—কে দরপ্রস্তাবের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে পাঁচ বছর মেয়াদি G2G চুক্তির আওতায় গম আমদানি হচ্ছে; লুই ড্রেফাসকে সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, ফলে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক থেকে দুইতে বৃদ্ধি পায়। গমের ক্রয় অর্থায়ন সরকারের নিজস্ব কোষাগার থেকে করা হবে।
প্রথম আলোর অতিরিক্ত তথ্য
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের গম রপ্তানিকারক সংগঠন ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে জুলাই ২০২৫‑এ পাঁচ বছরের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে বছরে সাত লাখ টন গম আমদানি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। একই প্রতিবেদনে গমের দাম সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে: জুলাই ২০২৬‑এ G2G পদ্ধতিতে ২,২০,০০০ টন গমের মূল্য প্রতি টন ৩২২ ডলার নির্ধারিত, আর উন্মুক্ত দরপত্রে অন্য দেশ থেকে ৫০,০০০ টন গমের দাম প্রতি টন ২৯৭.৯২ ডলার। এই পার্থক্যের ফলে ২,২০,০০০ টন গম কেনার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ৫.৩ মিলিয়ন ডলার হতে পারে।
প্রথম আলো উল্লেখ করেছে যে গমের ক্রয় অর্থায়ন রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে হবে এবং একই বৈঠকে কানাডা ও রাশিয়া থেকে মিউরেট অব পটাশ সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়, তবে তা এই গম আমদানির সিদ্ধান্তের সরাসরি অংশ নয়।
উপরের তথ্যগুলো ঢাকা পোস্ট ও প্রথম আলো উভয়ের প্রকাশিত কন্টেন্টের ভিত্তিতে সংকলিত।






