ইন্টারন্যাশনাল মোনিটারি ফান্ড (আইএমএফ) এর সর্বশেষ প্রতিবেদনের মতে, মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারতকে পেছনে ফেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু গড় আয় $2,886, যেখানে ভারতের তা $2,749 হবে। যদিও ভারতের মোট অর্থনীতি প্রায় আট গুণ বড়, তবে জনসংখ্যা বাদ দিয়ে মাথাপিছু বাংলাদেশ এখন ভারতের আগে।
বাংলাদেশের এই অগ্রগতির পেছনে রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প, প্রবাসী রেমিট্যান্স এবং কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, ভারত এই বছর প্রায় ৭% অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আশা করছে, যেখানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৬% হতে পারে।
মুদ্রাস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে ভারত এখনও কিছুটা এগিয়ে রয়েছে; বাংলাদেশে ৮.৭% মুদ্রাস্ফীতি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়কে প্রভাবিত করছে। আইএমএফের পূর্বাভাসে ২০২৯ সালের দিকে ভারত আবার মাথাপিছু আয়ে অগ্রসর হতে পারে।
দুই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোতে পার্থক্য রয়েছে; বাংলাদেশ রপ্তানিমুখী পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল, আর ভারত প্রযুক্তি, সেবা ও বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজারসহ বৈচিত্র্যময় অর্থনীতির অধিকারী। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে শিপিং রুট বন্ধ হওয়ায় জ্বালানি আমদানি ও পরিবহন খরচে চাপ বাড়ছে, যা উভয় দেশের জন্যই চ্যালেঞ্জ।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, মাথাপিছু জিডিপি একটি গড় মান, যা আয় বৈষম্য ও ধনী-দরিদ্রের পার্থক্য লুকিয়ে রাখতে পারে।






