বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেরপুরে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া (৪২) নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নকলা পৌরসভার দুই কর্মচারীসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের জোড়া পাম্পসংলগ্ন হাওড়া খানবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে শেরপুরগামী শেরপুর চেম্বার্স অব কমার্সের একটি বাস নকলাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নিহত জুয়েল মিয়া নকলা উপজেলার বারমাইসা খিচা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক। তিনি ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন। তার চাচাতো ভাই এরশাদ আলী জানান, জুয়েল প্রায় ১৪ বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন এবং ২০ দিন আগে দেশে এসেছেন। মঙ্গলবার বিকালে কাজের জন্য শেরপুরে এসেছিলেন তিনি, বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন নকলা পৌরসভার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান (৫০), হিসাব সহকারী আলমগীর হোসেন (৩২), শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও দুলাল মিয়া (৬০)। ফেরদৌসুর রহমানকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আলমগীর হোসেন নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং শফিকুল ইসলাম ও দুলাল মিয়া শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
নকলা পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুল হাসান জানান, পৌরসভার কর্মকর্তারা বিদায়ী তিন কর্মকর্তার জন্য উপহার কিনতে শেরপুরে এসেছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শেরপুর সদর থানার ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে নিহত অবস্থায় পায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশ রূপান্তর, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, আজকের পত্রিকা ও বাসস-এর প্রতিবেদনে নিহতের বয়স ৪১ বা ৪২ বলা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার সময় রাত ৯টা বা ১০টা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলা ট্রিবিউন নিহতের বয়স ৪২ এবং সময় রাত ৯টা হিসেবে উল্লেখ করেছে।







