সমকাল অনুযায়ী, তেজগাঁওয়ের মণিপুরিপাড়ার বি ব্লক ১৩/বি নম্বর বাসায় ২৪ বছর বয়সী বর্ষা নাবিদ হোসেনের মারধরে মৃত পাওয়া যায়।

রাতে বর্ষা তার মাকে ফেসবুক মেসেঞ্জার ভিডিও কল করে সাহায্যের অনুরোধ করেন। কলের সময় গলায় রক্ত দেখা যায় এবং পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে শোয়েদার হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়।

পুলিশের মতে, বর্ষার গলা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ প্রকাশ পায়। নাবিদকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানায় মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তেজগাঁও থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, বর্ষার আঘাতের চিহ্ন আত্মহত্যার চিহ্ন থেকে ভিন্ন এবং যৌতুকের দাবিতে পূর্বে বহুবার নির্যাতন করা হয়েছে।

বর্ষার চাচা জাকির হোসেন জানান, বর্ষা ও নাবিদের বিবাহ দুই পরিবারের সম্মতিতে হয়েছিল, তবে কয়েক মাস পর থেকে নাবিদ তাকে নির্যাতন করতে শুরু করেন।

পুলিশ ৯৯৯ সেবার কল বিশ্লেষণে দেখেছে, ২০২৫ থেকে ২০২১ পর্যন্ত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।

সমকাল অনুযায়ী, বর্ষার পরিবার তার মৃত্যুর পর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করে।