ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিআরটিএর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে জানানো হয়েছে, মাত্র দুই ধাপে সম্পূর্ণ আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
প্রথম ধাপ: লার্নার লাইসেন্স
প্রথম ধাপে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। এর জন্য বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (BSP)-এ অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সময় নিবন্ধিত চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ইউটিলিটি বিলের কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র আপলোড করতে হবে। এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির (মোটরসাইকেল ও কার) ফি ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপ: চূড়ান্ত লাইসেন্স
লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পুনরায় অনলাইনে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। অপেশাদার লাইসেন্সের ফি ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের ফি ২ হাজার ৮৩২ টাকা। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল বা অনুমোদিত ল্যাব থেকে 'ডোপ টেস্ট' সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আবেদন অনুমোদিত হলে কিউআর কোডযুক্ত 'ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স' ডাউনলোড করা যাবে। তবে অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং বা গেটওয়ে সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।







