স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৯ অক্টোবর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা প্রকাশ করেছে। এই বিধিমালা দেশ রূপান্তর অনুযায়ী অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বিধিমালায় দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮,০০০ টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪,০০০ টাকা নির্ধারিত, আর চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা ও নবায়ন ফি ৫,০০০ টাকা। সব ই-রিকশার ফিটনেস সনদের জন্য অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা দিতে হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর, এবং একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে।

গতি সীমা সর্বোচ্চ ২৫ কিমি/ঘণ্টা নির্ধারিত, তবে স্কুল, হাসপাতাল, উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় এটি ১৫ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি করিডোর, ফুটপাত ও নিষিদ্ধ সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে চলাচলের রুট নির্ধারণ করবে।

নিবন্ধন ছাড়া চালনা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, গতি অতিক্রম, নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ১২ বছর নির্ধারিত, এবং নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত মানদণ্ড পূরণ করা বাধ্যতামূলক; উৎপাদন ও অনুমোদিত স্থানে ব্যাটারি চার্জ করাও আবশ্যক। পুরোনো ব্যাটারি যত্রতত্র ফেলা ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

চ্যানেল ২৪ের প্রতিবেদন অনুসারে, ই-রিকশা চালানোর জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড পূরণ না করলে সড়কে চলাচল করা যাবে না। বাংলাট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, একই বিধিমালা সব সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রযোজ্য এবং এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশিত। আজকের পত্রিকায় উল্লেখ আছে যে ফি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা এবং নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

নতুন বিধিমালা পূর্বের ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করে, এবং একই সঙ্গে পুরোনো ব্যাটারি নিষ্পত্তি সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এই তথ্য দেশ রূপান্তর, চ্যানেল ২৪, বাংলাট্রিবিউন এবং আজকের পত্রিকা সূত্রে সংগ্রহ করা হয়েছে।