তথ্য অনুযায়ী ঢাকা পোস্ট, ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরে গঠিত গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।
আলোকিত বাংলাদেশ জানিয়েছে, একই নিম্নচাপ দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করে, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ৬টায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেই সময়ে নিম্নচাপ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩২৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১,২৬০ কিমি, মোংলা থেকে ১,২৬৫ কিমি এবং পায়রা থেকে ১,২৪০ কিমি দূরে ছিল।
আলোকিত বাংলাদেশ আরও জানিয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিমি ব্যাসার্ধে বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৫০ কিমি, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিমি পর্যন্ত বাড়তে পারে; সাগর উত্তাল। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
চ্যানেল ২৪ ও আলোকিত বাংলাদেশ উভয়ই একইভাবে সমুদ্রবন্দর ও মাছ ধরার নৌকাগুলিকে সতর্কতা জারি করার কথা উল্লেখ করেছে।
ঢাকা পোস্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে অস্থায়ী আংশিক মেঘলা আকাশ ও প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে; রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটে ৯টার মধ্যে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত বা সামান্য বাড়তে পারে।
উল্লেখ্য, নিম্নচাপের অবস্থান ও দূরত্ব, বাতাসের গতি ইত্যাদি তথ্য আলোকিত বাংলাদেশ থেকে এসেছে, যেখানে ঢাকা পোস্টে এসব তথ্য উল্লেখ নেই। একইভাবে, ২ থেকে ৫ নভেম্বরের আবহাওয়ার পূর্বাভাস শুধুমাত্র ঢাকা পোস্টে পাওয়া গেছে।







