ইলেকশন কমিশনের (EC) সিনিয়র সেক্রেটারি আখতার আহমেদ জানিয়েছেন যে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১,০৫০ ইউনিয়ন প্যারিশাদে নির্বাচন হবে, যা ২১ জানুয়ারি ২০২৭-এ অনুষ্ঠিত হবে। এই তথ্য অনুযায়ী Dhaka Tribune প্রকাশ করেছে।
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচনের জন্য ইউনিয়ন প্যারিশাদগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে যাদের মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, এবং কমিশন প্রায় ১,০৫০ ইউনিয়নের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অন্যদিকে Prothom Alo এবং BSS অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১,০০০ ইউনিয়ন প্যারিশাদে নির্বাচন হবে। উভয় সূত্রই একই তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা জানিয়েছে।
কমিশন শিশুদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নিবন্ধনের তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ছয় বছর বয়সী শিশুদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে একটি ডেটাবেস তৈরির কথা বলেছে।
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন বর্তমানে মেশিনগুলোর চূড়ান্ত স্টকটেকিং করছে এবং নিষ্পত্তি পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য সুপারিশের অপেক্ষা করছে।
প্রথম পর্যায়ের পাশাপাশি, EC পরিকল্পনা করেছে যে প্রথম দুই পর্যায়ে প্রায় ৪,৫০০ ইউনিয়ন প্যারিশাদে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। বাকি পর্যায়গুলোতে কম সংখ্যক ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত হবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ১৩ মে এবং পঞ্চম ২৭ মে নির্ধারিত হয়েছে, যা রমজান, SSC পরীক্ষা ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঠিক করা হয়েছে।
কমিশন তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করছে বৃহস্পতিবারের মধ্যে, এবং একই সাথে আদালতের মামলার কারণে স্থগিত থাকা ইউনিয়ন প্যারিশাদগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে যদি চূড়ান্ত রায় সময়মতো দেওয়া হয়।
নির্বাচন সামগ্রীর প্রস্তুতি চলছে, যার মধ্যে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদের জন্য ব্যালট পেপার মুদ্রণ অন্তর্ভুক্ত। কমিশন বাংলাদেশ সরকার প্রেস ও সিকিউরিটি প্রেসিং প্রেসের সাথে মুদ্রণ নিয়ে আলোচনা করেছে।
এই পাঁচ পর্যায়ের পরিকল্পনা ১২ অক্টোবর কমিশন মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, এবং Election Commissioner Brigadier General (Retd) Abul Fazal Md Sanaullah নিশ্চিত করেছেন যে সব নির্বাচন ২৭ মে ২০২৭-এ শেষ হবে।







