ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রায় আট মাস ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, দেশ রূপান্তর অনুযায়ী।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের কারণ ছিল পদ্মা নদীর তলদেশে স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়া, ফলে প্রায় দেড় হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে এবং বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে ভুগছেন, ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
নন্দলালপুর গ্রামবাসী নয়ন শেখ বলেন, আট মাস ধরে বিদ্যুৎ নেই, দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তি, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় সমস্যা, গরমেও কষ্ট, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানিয়েছেন।
আবুল হোসেনও একই গ্রাম থেকে বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাচ্ছে না, দীর্ঘ আট মাস ধরে চলতে থাকায় পরিবার-পরিজন কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন বলেন, সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, দুর্ভোগ চলমান, দ্রুত নতুন সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ক্যাবল সংযোগে বিলম্ব হচ্ছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর দোহার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক খায়রুল বাকী খান বলেন, স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল পুরোনো, পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ত্রুটি দেখা দিয়েছে, আপাতত নতুন ক্যাবল স্থাপন সম্ভব নয়।
নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে, আশা করা হচ্ছে আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে।







