একাত্তর টিভি অনুসারে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপে প্রায় এক হাজার মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমদ জানান, পুরো উপজেলাভিত্তিক ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। চূড়ান্ত তালিকা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রকাশের কথা তিনি উল্লেখ করেন।
একই সময়ে, ঢাকা টাইমস, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর এবং জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে প্রথম ধাপে ১,০৫০ (১ হাজার ৫০) ইউনিয়ন পরিষদে ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংখ্যার পার্থক্য মূল সূত্রের আনুমানিক প্রকাশ এবং অন্যান্য মিডিয়ার নির্দিষ্ট সংখ্যা হিসেবে উল্লেখের ফলে উদ্ভূত হয়েছে।
ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সকল সূত্রে একরূপে জানানো হয়েছে। আখতার আহমদ জানান, ইভিএমের চূড়ান্ত স্টক টেকিং শুরু হয়েছে এবং ডিসপোজাল পদ্ধতি সম্পর্কে গঠিত কমিটির সুপারিশের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যেও পার্থক্য রয়েছে। একাত্তর টিভি অনুযায়ী, বর্তমানে ১৬ বছর বয়স থেকে নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং ভবিষ্যতে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে (প্রায় ৬ বছর বয়স থেকে) তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যান্য প্রতিবেদনে একই পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে নির্দিষ্ট বয়স সীমা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
সম্পর্কিত প্রতিবেদনে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোট শুরু হবে, এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৯ এপ্রিল, ১৩ মে এবং ২৭ মে পর্যন্ত মোট পাঁচটি ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এই সময়সূচি একাত্তর টিভির মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই, তাই তা আলাদা সূত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সর্বোপরি, প্রথম ধাপে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে, ইভিএম ব্যবহার হবে না এবং ভোটার নিবন্ধনের বয়সসীমা ও তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়ে কমিশন ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেবে।






