স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সায়েদী মামলার বাদী মানিক পশারী (৮৭) এর দাফন কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দেশ রূপান্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের বাসে তাঁর মৃত্যু হয়ে গেলে মরদেহ পিরোজপুরে আনা হয়।
পরিবার অভিযোগ করে, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মরদেহ নামাতে বাধা দেওয়া হয়। পরে বাড়ির কবরস্থানে কবর খনন করেও তা মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়। পৌর কবরস্থানেও দাফন বাধা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। পুলিশ সাহায্যে মরদেহ পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
রাত পর্যন্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকার পর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহ চিতলিয়া গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে মোবাইল ফোনের আলোতে পরিবারের নারী সদস্যরা—বোন হেনা পশারী, স্ত্রী ও মেয়ে—কবর খনন করে দাফন সম্পন্ন করেন। দাফনের সময় এলাকার কেউ উপস্থিত ছিলেন না বলে পরিবার জানিয়েছে।
পরিবার দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মানিক পশারীর বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়ে যাওয়ায় তিনি প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে টুঙ্গিপাড়ায় আশ্রয় নেন। জামায়াতে ইসলামীর পিরোজপুর জেলা সহকারী সেক্রেটারি শেখ আবদুর রাজ্জাক বাধার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, জামায়াত লাশ নিয়ে রাজনীতি করে না, পুলিশকে সহযোগিতা করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম পুলিশ নিরাপত্তায় দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।







