আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের কারণে প্রায় ৮.৪ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে।
উচ্চশিক্ষা দেখভালের দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) জানিয়েছে যে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ মিলিয়ে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে মোট আসনসংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮টি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে আসন ৪ লাখ ১০ হাজার।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাস হার ছিল ৫২.১২%, যা ২০২৫ সালের ৫৮.৮৩% থেকে ৬.৭১ শতাংশ কম।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ২৯,১৩ জন কম। ২০০৪ সালে পাস হার ছিল ৪৭.৭৪%, ২০০৫ সালে ৫৯.০৭%।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে, কারণ জিপিএ-৫ পেয়েছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা আসনসংখ্যার তুলনায় কম। তবে কিছু নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের মতোই থাকবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বলেছেন, "এইচএসসি ও সমমানে পাস করা সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও অনেক আসন ফাঁকা থাকবে।"
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমানুল্লাহ ফেরদৌস বলেছেন, "এই বছরের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর চেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন বেশি, ফলে আমাদের কয়েক লাখ আসন খালি থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।"
উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় শূন্য বা আশঙ্কাজনকভাবে কম পাস হার থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। ২০২৬ সালের ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।







