সমকাল অনুসারে, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী (শাখা যমুনা নদীর ব্রিজ‑সংলগ্ন) এলাকায় ১৮ আগস্ট তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিফা মণি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে মারা যান। তার মৃত্যুর পর স্থানীয় জনগণের তীব্র প্রতিবাদে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা যৌথভাবে নিমতলা মোড় থেকে ডাবল ব্রিজ পর্যন্ত ফুটপাত থেকে সব অবৈধ দোকানপাট গুঁড়িয়ে উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত করে।
উচ্ছেদ অভিযান শেষের দুই মাসের মধ্যে আবারই চটপটি‑ফুচকা, ফলের দোকান ও অস্থায়ী হকারদের দ্বারা ফুটপাত দখল করা হয়, ফলে পথচারী ও শিশুরা মূল সড়কে যানবাহনের মাঝখানে চলতে বাধ্য হচ্ছে।
ফুলবাড়ী পৌর শহরের নর্থ পয়েন্ট স্কুলের অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান জানান, “শিফা মণির মৃত্যুর পর আমরা আশা করেছিলাম ফুটপাত নিরাপদ হবে, তবে আবার দখল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম ও সোহরাব আলী উভয়েই অবৈধ দোকান পুনরায় দখল হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও নিয়মিত মনিটরিং দাবি করেন।
ফুলবাড়ী থানার কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, “ফুটপাত অবমুক্ত রাখা প্রশাসনের দায়িত্ব; উচ্ছেদের পরেও কিছু অসাধু ব্যক্তি পুনরায় দখল করে, যা পথচারীর নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলে।”
পৌরসভার প্রশাসক এএসএম শাহাদাত হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম বিল্লাহ উভয়ই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখবেন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিল্লাহ গাছ রোপণের নীতি অনুসরণ করে ফুটপাতকে সুন্দর ও নিরাপদ করার কথাও উল্লেখ করেন।
এলাকার বাসিন্দারা ঢাকা মোড় থেকে নিমতলা মোড় এবং ডাবল ব্রিজ থেকে ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত পুরো সড়ক ও ফুটপাত পুনরায় দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়ে, এককালীন উচ্ছেদে না থেমে, ধারাবাহিক তদারকি ও আইনি ব্যবস্থা চেয়েছেন।






