ধর্মীয় নেতা মুসা মিয়া, গাইবান্ধার হরিচাঁদি গ্রাম (ফুলছড়ি থানা) থেকে, জামালপুরের দেওয়াঙ্গঞ্জ উপজেলায় একটি জামে মসজিদে ইমাম এবং মক্তবে শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। জামালপুরের নারী ও শিশু নিপীড়ন প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এ বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিমের রায়ে, তিনি ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ওপর ২০২০ সালের নভেম্বর‑ডিসেম্বর মাসে তিনবার ধর্ষণ করার অভিযোগে আজীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন।
প্রসিকিউশন অনুযায়ী, মুসা মিয়া প্রতিদিন অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠিয়ে, ওই মেয়েটিকে মসজিদে পরিষ্কারের কাজের জন্য রেখে দিতেন এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে শোষণ করতেন। মামলাটি মেয়ের মায়ের দ্বারা ৮ ডিসেম্বর, ২০২০-এ দেওয়াঙ্গঞ্জ থানা-তে দাখিল করা হয়; এরপর পুলিশ ৫ মে, ২০২১-এ চার্জ শিট আদালতে জমা দেয়। রায়ে মুসা মিয়ার উপর পাঁচ লাখ টাকার জরিমানা আরোপিত হয়েছে।
বিএসএসের একই ঘটনার প্রতিবেদনেও বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিমের রায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং রায়ে কঠোর আজীবন কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। উভয় সূত্রই রায়ের মূল বিষয়বস্তু ও শাস্তি সমন্বিতভাবে উপস্থাপন করেছে।
এই তথ্যগুলো ধাক্কা ট্রিবিউনের (Dhaka Tribune) প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে।







