ধাক্কা ট্রিবিউনের মতে, বাংলাদেশে লিডিসি (Least Developed Country) গ্র্যাজুয়েশন ২০২৬ সালে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সম্প্রতি তিন বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটি ২০২৭ সাল থেকে রপ্তানি ও ঋণের পরিস্থিতিতে কী পরিবর্তন আসবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
ধাক্কা ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে, রপ্তানি মোট $48 বিলিয়ন ছিল FY2025‑26-এ, যার মধ্যে রেডি‑মেড গার্মেন্টস $38.70 বিলিয়ন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে গার্মেন্টসের রপ্তানি $19.06 বিলিয়ন। লিডিসি স্ট্যাটাসের কারণে এই রপ্তানিগুলি শূন্য শুল্কে চলছিল, যা ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ হবে।
ধাক্কা ট্রিবিউন আরও জানিয়েছে যে, ট্রেড ডেফিসিট FY2025‑26-এ $27.28 বিলিয়ন, বর্তমান হিসাব $1.6 বিলিয়ন ঘাটতি, রেমিটেন্স $35.6 বিলিয়ন এবং রিজার্ভ $36.21 বিলিয়ন। বহিরাগত ঋণ $78.22 বিলিয়ন, যার ৬২% কনসেশনাল। ঋণসেবা FY25 থেকে FY29 পর্যন্ত $4.11 বিলিয়ন থেকে $7.6 বিলিয়ন বাড়বে।
ইমএফ ২০২৬ সালে বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.২% এবং মুদ্রাস্ফীতি ১০.৯% বাড়িয়েছে, যা ১৯৮৮‑৮৯ সালের পর সবচেয়ে দুর্বল। বিশ্বব্যাংক FY28 পর্যন্ত দুর্বলতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।
বিএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুমায়ুন কুবির, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কমনওয়েলথ হেডস অফ গভার্নমেন্ট মিটিং (CHOGM) এ লিডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী দেশগুলির জন্য বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কমনওয়েলথের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যক্তিগত খাতের অর্থায়ন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন।
ধাক্কা ট্রিবিউনের মতে, লিডিসি গ্র্যাজুয়েশন একটি স্ট্রেস টেস্ট; স্থগিতের ফলে দেশটি ২০২৭ সাল থেকে বার্ষিক মূল্যায়নের অধীনে থাকবে। ধাক্কা ট্রিবিউন সুপারিশ করেছে যে, সরকারকে গার্মেন্টসের জন্য GSP+ বা স্ট্যান্ডার্ড প্রেফারেন্সের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে, এবং ২০২৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি ও সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে হবে।







