মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ৪ নভেম্বর (বুধবার) থেকে ৭ নভেম্বর (শনিবার) পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। তবে এ সময়ে কোথাও গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে না বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন এন্ড মাইন্স) মোঃ শোয়েব জানিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমবে। ফলে জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ২শ’ ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ থাকবে এবং কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
দেশে বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮শ’ মিলিয়ন ঘনফুট, যা সরবরাহের চেয়ে বেশি। দৈনিক ঘাটতি ১ হাজার ৩শ’ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে ৯শ’ ২০ মিলিয়ন ঘনফুট আমদানি করা এলএনজি। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি ও দেশের সামিট এলএনজি ভাসমান টার্মিনাল দিয়ে এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে।
গত বছর ডিসেম্বরেও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। এবার নভেম্বরের শুরুতেই সামিট এলএনজি এই কাজ করছে। সাপ্তাহিক ছুটির দু'দিনের সাথে আরও দু'দিন লাগবে কাজে, তাই এলএনজি সরবরাহ কমবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে এমন গুজব ছড়িয়েছে। পেট্রোবাংলা গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, সরবরাহ বন্ধের কোনো সুযোগ নেই এবং গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে কি না, তা নিয়ে সংস্থাটি বলেছে, গ্যাস লাইনে না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন।
গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলেও জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।







