দেশে লোকোমোটিভের তীব্র সংকটের কারণে মালগাড়ি চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার ফলে কন্টেইনার, জ্বালানি ও খাদ্যধান পরিবহন বাধিত হচ্ছে। এই তথ্য জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় একটি প্রতিবেদনে।

পার্লামেন্টারি কমিটিতে তথ্য প্রকাশ

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ওপর পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় মন্ত্রণালয় একটি প্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে এই সংকট সম্পর্কে জানায়। সভার সভাপতিত্ব করেন... (সূত্র: দৈনিক অবজারভার)।

৮০টি লোকোমোটিভ কেনার পরিকল্পনা

সংকট সমাধানের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে ৬০টি মিটার-গেজ লোকোমোটিভ কেনার পরিকল্পনা রেখেছে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের 'গ্রিন রেলওয়ে' প্রকল্পের অধীনে আরও ২০টি মিটার-গেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে (সূত্র: দৈনিক অবজারভার)।

পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন নভেম্বরে

অন্যদিকে, পাবনা থেকে ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে 'সারাবাংলা'। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২০টি নতুন কোচ পৌঁছেছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেছেন, অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নভেম্বরের মাঝামাঝি উদ্বোধন সম্ভব। পাবনা স্টেশনের আধুনিকীকরণ কাজও সম্পন্ন হয়েছে বলে স্টেশন ইনচার্জ মিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।

পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেনের পরিকল্পনা

'আলোকিত বাংলাদেশ'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু করার লক্ষ্যে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পাঁচটি বড় প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম জানিয়েছেন। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকা যাওয়ার পথ প্রায় ১১২ কিলোমিটার ছোট হবে এবং ৩-৪ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ প্রকল্পের জন্য ৯০১ একর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়নও এই পরিকল্পনার অংশ।

নোট: উপরের প্রতিবেদনগুলো আলাদা আলাদা উৎস থেকে সংকলিত। মূল খবর (দৈনিক অবজারভার) লোকোমোটিভ সংকট ও মালগাড়ি চলাচল সম্পর্কে, অন্য দুটি প্রতিবেদন যাত্রী ট্রেন প্রসারণ সম্পর্কে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামের বানান দুটি প্রতিবেদনে কিছুটা ভিন্ন (ফাহিমুল ইসলাম / মো. ফাহিমুল ইসলাম)। প্রধানমন্ত্রীর নাম 'আলোকিত বাংলাদেশ'-এ তারেক রহমান হিসেবে উল্লেখ আছে, যা যাচাই প্রয়োজন।