ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে ৪৭ জন যাত্রী নিয়ে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে মহানগর এক্সপ্রেস রওনা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা চার মিনিট পরে ট্রেনটি ফেনী স্টেশন ছেড়েছে।

ট্রেনটি ২৬ অক্টোবর রাত ৮:৩০ টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারের পথে রওনা হয় এবং ফেনী স্টেশনে রাত ১:০৫৫ টায় পৌঁছায়। নির্ধারিত সময় রাত ১:০৪ টা, তাই ৫১ মিনিট দেরি হয়; স্টেশন ছাড়ার সময়ও নির্ধারিত ১:০৬ টার পরিবর্তে রাত ২:১০ টায় রওনা হয়, ফলে এক ঘণ্টা চার মিনিট বিলম্ব হয়েছে।

ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি নিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এই সময়ে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্রেনের লোকোমাস্টার হিসেবে মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া, সহকারী লোকোমাস্টার শাহ আলম এবং গার্ড ইমরুল কায়েস দায়িত্বে ছিলেন। ট্রেনের লোকোমোটিভের নম্বর ৩০২৯ এবং মোট ১৮টি কোচ রয়েছে। ফেনী স্টেশন থেকে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য মোট ৪৭টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে এসি বার্থের ২টি, স্নিগ্ধার ১৫টি এবং শোভন চেয়ার ৩০টি অন্তর্ভুক্ত।

ফেনী থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগের ফলে স্থানীয় যাত্রীদের প্রত্যাশা বাড়লেও, সীমিত আসন সংখ্যা নিয়ে চাহিদা পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। ফেনী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. হারুন উল্লেখ করেন, প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকতার কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।