আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-র নির্বাচিত কমিটির এক বছরের মেয়াদ গত সোমবার সমাপ্ত হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচন হয়েছিল এবং ২৬ অক্টোবর শপথ গ্রহণ করা হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রায় ৮০ দিন সময় নিল। ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ ২৩টি কেন্দ্রীয় পদের মধ্যে ২০টি জয় করেছিল এবং নির্বাচন নিয়মিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

রাকসুর সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ অভিযোগ করেছেন যে বর্তমান প্রশাসন নির্বাচনে আগ্রহী নয় এবং সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’-র অপেক্ষায় আছে। রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান জানান, উপাচার্যের কাছ থেকে নির্বাচন নিয়ে কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি এবং প্রস্তুতিও নেই।

তবে উপাচার্য ও রাকসু সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন ভর্তি পরীক্ষা, পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষার ওপর নির্ভর করে। তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষার আগে রাকসু নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন এবং মাত্র দুই মাস সময় বাকি। প্রথমে রাকসুর আয়-ব্যয়ের অডিট এবং হিসাব সমন্বয় করতে হবে, তারপর তফসিল ঘোষণা করা যাবে।

বিদায়ী কমিটির কার্যক্রম নিয়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ নিয়মিত নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন, আবার কেউ কমিটির কার্যক্রমে প্রশ্ন তুলছেন।