ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর বিকেলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ চত্বরে BNP আয়োজিত বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালির পূর্ব সমাবেশে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও BNP কেন্দ্রীয় সহ‑সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তি একই সুরে কথা বলছে এবং জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসা অসম্ভব।

মীর হেলাল বলেন, BNP ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যথেষ্ট সক্ষম। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের সঙ্গে জনগণ রয়েছে এবং ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, তা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সমালোচনা স্বাগত, কিন্তু রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। ১৭ বছরের রাজপথে আন্দোলনকারীরা এখনো মাঠে আছেন, সংসদ থেকে রাজপথে ফিরতে সময় লাগবে না।

মীর হেলাল আরও বলেন, ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য অনেকে গুপ্ত ও দোষরদের সঙ্গে থাকছেন, দেশবিরোধী শক্তির সঙ্গে আঁতাত করবে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি ‘দিল্লি’ ও ‘পিন্ড’ চাওয়ার ইচ্ছা নেই, সবার আগে বাংলাদেশ চায় বলে জোর দেন।

সমাবেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা BNP আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া সভাপতিত্ব করেন, সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন সঞ্চালনা করেন।

অন্য সূত্রে, প্রথম আলোর ইংরেজি সংস্করণে প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমান ৭ নভেম্বর নয়া পলতানে বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ ও ৫ আগস্ট ২০২৪-এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলেন। আলোকিত বাংলাদেশে শাখজাহানও একই দিনে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে ‘বিপ্লব ও সংহতি’ উদযাপন করেন এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। ইত্তেফাক ও বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও ৭ নভেম্বর ফরিদপুরে বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি ‘একাত্তরের পরাজিত ও স্বৈরাচারী শক্তি’ একত্রে ষড়যন্ত্র করছে বলে উল্লেখ করেন।