ইত্তেফাক অনুযায়ী, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বলেন, সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর জিয়াউর রহমানকে ‘অবৈধ ক্ষমতা দখলদার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়েছে; একই ঘটনা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষেত্রে ঘটবে না, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
তিনি বর্তমান সংসদের ‘একদলীয়’ সংবিধান সংশোধন কমিটি যদি সর্বোত্তম সংশোধনীই আনে, তবু ভবিষ্যতে তা বাতিল করে বর্তমান ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কে অবৈধ ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা ৩০ অক্টোবর শাহবাগে আইনশৃঙ্খলা অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে গণবিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছে; এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনটি আজ অনুষ্ঠিত হয়।
নাহিদ ইসলাম পুরোনো সংসদ, পুরোনো অবৈধ সরকার এবং পুরোনো ফ্যাসিস্ট সাংবিধানিক কাঠামোর ধারাবিকতা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করার আহ্বান জানান।
তিনি সমতল থেকে পাহাড়—দেশের সর্বত্রই আইনশৃঙ্খলা ‘অশান্ত’ বলে মন্তব্য করে, সরকারকে পাহাড়কে শান্ত ও স্থিতিশীল রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ করেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে স্পষ্ট বক্তব্যের দাবি জানান।
এনসিপির আহ্বায়ক সরকারের ভারত সঙ্গে গোপন আঁতাতের অভিযোগও করেন, যা পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টির কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আওয়ামী লীগ শাসনামলের তিনটি সংসদ (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) অবৈধ ঘোষণার দাবি এবং বিএনপি শেখ হাসিনার তিনটি সংসদকে অবৈধ বলে দাবি করার কথা তিনি উল্লেখ করে, আইনগতভাবে তা প্রমাণের সুযোগ না থাকলেও উভয় পক্ষের এই রেটোরিককে উল্লেখ করেন।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, মনিরা শারমিন, সালেহউদ্দিন সিফাত, নুসরাত তাবাসসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।







