ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে সামরিক আক্রমণ চালানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন, তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প কোনো অনুমোদন দেননি। এই তথ্য ইত্তেফাকের সূত্র অনুযায়ী, সিএনএনকে জানানো এক ইস্রায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের ভিত্তিতে।
সূত্রটি জানায়, নির্বাচনের আগে ইরানে যৌথ হামলা চালানোর জন্য নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প সবুজ সংকেত দেননি। ইস্রায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান এয়াল জামির যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে জানিয়েছিলেন যে, ইরানে হামলা চালালে ইস্রায়েলের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আরেকটি সিএনএন সূত্রের মতে, গত সপ্তাহেও ইস্রায়েল ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চাইছিল। তবে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা ইস্রায়েলকে আপাতত হামলা স্থগিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, যদিও ভবিষ্যতে দুই দেশ যৌথ অভিযান চালাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইস্রায়েলি নির্বাচন
সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইস্রায়েলে ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৭৩ লক্ষ, এবং ভোটের সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্ধারিত। নির্বাচনে লিকুদ পার্টির নেতানিয়াহু পুনরায় ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করবেন, যদিও তিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিচার চলছে।
উভয় সূত্রের তথ্য অনুসারে, ইস্রায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহযোগিতা ইরানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে হতে পারে, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর নির্ধারিত হবে। একই সঙ্গে, ইরান ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের পাল্টা হামলার আশঙ্কা ইস্রায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়িয়ে তুলেছে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন বলে সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে।
এই তথ্য ইত্তেফাক এবং সমকাল উভয়ের রিপোর্টের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।







