চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের শুল্কনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘোষণা করেছেন।
সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে ৫০ শতাংশ শুল্কের তালিকা থেকে ২২টি পণ্য বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১০০ ধরনের পণ্যকে শুল্কের আওতায় আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
শুল্ক থেকে অব্যাহতি পাওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাতলা কাঠের পাত, কিছু কাগজজাত পণ্য, কৃষি যন্ত্রপাতি, শীতলীকরণ ও হিমায়ন সরঞ্জাম, প্যাকেট ও বাক্স তৈরির উপকরণ এবং সামুদ্রিক শৈবালজাত পণ্য। অন্যদিকে, নতুন শুল্কের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে—কার্পেট, রং, শ্যাম্পু, কোকো গুঁড়া, বর্জ্যজাত পণ্য, কাঠের কফিন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও অন্যান্য কিছু পণ্য।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতি অনুযায়ী এই শুল্ক পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ)-এর আওতাভুক্ত পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। মেইন অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স কানাডা থেকে আমদানি হওয়া বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি ও মোড়কজাতকরণের উপকরণে শুল্ক ছাড়ের জন্য দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁর মতে, এই পণ্যগুলো স্থানীয় কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুল্ক ছাড়ের ফলে মেইনের ব্লুবেরি, আলু, আপেল ও সামুদ্রিক শৈবাল উৎপাদন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপকৃত হতে পারেন।
তবে ডেমোক্র্যাট দলের সিনেটর পদপ্রার্থী ট্রয় জ্যাকসন ট্রাম্পের শুল্কনীতির সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, এই বাণিজ্য নীতি স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়েছে। ফলে শুল্ক ছাড়ের সিদ্ধান্তটি নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।







