একাত্তর টিভির খবর অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ইরানে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলার জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও বাঙ্কার-বাস্টার বোমা মোতায়েন করা হয়েছে এবং রণতরীগুলোতে নতুন করে গোলা-বারুদ ভরা হচ্ছে।
শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ইরানে নতুন হামলার একটি সম্ভাবনা রয়েছে, আবার অন্যদিকে একটি চুক্তিও হতে পারে। তবে ইরান সমঝোতা মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন।
একাত্তর টিভি জানায়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর কাছে মাইনের আঘাতে ইরানের দুটি তেলবাহী সুপারট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরবের রিয়াদ লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোঁড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও ওয়াশিংটন আলোচনার প্রক্রিয়া ভণ্ডুল করে দিয়েছে। বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট করেছেন যে, যুদ্ধ নতুন করে শুরু হলেও ইরানের নীতি ও অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে সংঘাত শুরু হয়। বিশ্লেষকদের মতে, সামনে মঙ্গলবার ইসরাইলে এবং ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের কারণে সামরিক তৎপরতার সময়সূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন হিসাব-নিকাশ চলছে।







