দেশ রূপান্তর অনুসারে, ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা রেলসেতুর ১৫৫/৭ নম্বর পিলারের কাছে একটি ট্রেন থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ের এক নারী পড়ে মারা যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জানান, সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা থেকে খুলনা যাত্রীর সঙ্গে চলছিল এবং নারীর দেহ ট্রেনের কাটা থেকে ঘটনাস্থলেই পাওয়া গিয়েছে। ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশ পরবর্তীতে মৃতদেহ উদ্ধার করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে জড়িত।

ফেরি গাঁটের র‍্যাম্পে পানিতে পড়া ঘটনা

প্রথম আলো অনুসারে, একই দিন (সোমবার) দুপুর ১১:২০ টার দিকে ফেরি গাঁটে র‍্যাম্প খুলে যাত্রীরা পানিতে পড়েন। মাওয়া চৌরাস্তা সংলগ্ন র‍্যাম্পটি খুলে গিয়ে স্পিডবোটের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ২৫ জন যাত্রী ও কয়েকটি যানবাহন পানিতে পড়ে যায়, তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মো. শরীফ ও ফেরি মাস্টার আমীর হোসেনের মতে, র‍্যাম্পটি এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নড়বড়ে ছিল এবং বিআইডব্লিউটিএকে বারবার জানানো সত্ত্বেও মেরামত হয়নি।

উভয় প্রতিবেদনে ঘটনার সময় ও ফলাফলে পার্থক্য দেখা যায়; দেশ রূপান্তর ট্রেন থেকে নারীর মৃত্যুকে উল্লেখ করে, যেখানে প্রথম আলো কোনো মৃত্যুর উল্লেখ না করে, শুধুমাত্র পানিতে পড়ার ঘটনা জানায়। উভয় সূত্রই ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মন্তব্য তুলে ধরেছে।