ঢাকা টাইমসের মতে, ১৪ অক্টোবর রাত প্রায় ১০:৩০ টার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন, গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন।
শাকিলের বাবা রবিউল করিম ১৯ অক্টোবর গুরুদাসপুর থানায় মামলা দায়ের করেন; মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয় এবং সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয় (ঢাকা টাইমস)।
শাকিলের জানাজা পরবর্তী মঙ্গলবার রাতে গুরুদাসপুরে উত্তেজনা দেখা দেয়; উপস্থিত লোকজনের কিছু অংশ সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয় এবং চাঁচকৈড় বাজারের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে (ঢাকা টাইমস)। প্রথম আলো অনুসারে, একই রাতে রাত ১১ টার দিকে রাশ মেগা মলে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, যা প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী হয় এবং পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।
গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুল হান্নানকে তদন্তে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে (ঢাকা টাইমস)। প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন এবং ইত্তেফাকের রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ স্বাক্ষরিত আদেশে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয় এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি রেঞ্জে সংযুক্ত থাকবেন।
একই সঙ্গে শাকিল হত্যা মামলার তদন্তভার থানা-পুলিশ থেকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এ হস্তান্তর করা হয়েছে, যা প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন ও ইত্তেফাকের তথ্য (প্রথম আলো)। ঢাকা টাইমস উল্লেখ করেছে যে ওসির স্থলাভিষিক্ত কর্মকর্তার নাম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এই তথ্যগুলো ঢাকা টাইমসের রিপোর্ট এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের (প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন, ইত্তেফাক) কভারেজের ভিত্তিতে সংকলিত।







