ঢাকা পোস্টের মতে, ২৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলা, পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রাম, খাঁনের বাড়িতে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম (বয়স ৫০) গুলি করে নিহত হন। খোরশেদ রুহুল আমিনের ছেলে এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা ছিল।
পরিবারের বিবরণে বলা হয়েছে, খোরশেদের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার গৃহে গুলির শব্দ শোনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানেন যে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুই ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গেছেন, আর ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি গুলি করে পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল ও পুলিশ বিবরণ
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জহুরুল ইসলাম রনি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খোরশেদকে হাসপাতালে আনা হয় এবং দুইটি গুলির চিহ্ন দেখা যায়; তিনি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা ওসি ওয়াহিদ ফারভেজ জানান।
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। একাত্তর টিভি ও সমকাল একই বয়স (৫০) এবং একই ঘটনার বিবরণ দিচ্ছে, তবে বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী খোরশেদের বয়স ৪৫ এবং তিনি ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করতেন বলে উল্লেখ করেছে। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে তাকে ‘খোরশেদ বাহিনীর প্রধান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার পরিবারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে বলে বলা হয়েছে। এই পার্থক্যগুলো সংশ্লিষ্ট আউটলেটের তথ্য অনুযায়ী উল্লেখ করা হচ্ছে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গুলির কারণ মাটি ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ এবং পূর্বে ওয়ালিদের কাছ থেকে হুমকি পাওয়া ছিল। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাস্থল সমীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার চায় পরিবার।







