ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বগুড়ার শিবগঞ্জে বাস থামিয়ে পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জয়পুরহাট, পঞ্চগড় ও হিলি সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় লুণ্ঠিত স্বর্ণ বিক্রির মোট ৮৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম (২৬) ও আলমগীর হোসেন (৪৩), এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রবিউল ইসলাম (২৬) ও আসাদুজ্জামান শাহিদ (২৮)। পুলিশ জানায়, আলমগীরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে ১০টি এবং রবিউলের বিরুদ্ধে ৩টি মাদক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানান। ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও বাংলা ট্রিবিউন এই কর্মকর্তার নাম "আতাউর রহমান" উল্লেখ করলেও দৈনিক ইনকিলাব ও দেশ রূপান্তরে নামটি "আতোয়ার রহমান" লেখা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর সকালে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলামের খালাতো ভাই বাপ্পী হোসেন ১০টি স্বর্ণের বার নিয়ে জয়পুরহাটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বেলা ১২টার দিকে শিবগঞ্জের উথলি এলাকায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে বাপ্পীকে জোর করে নামিয়ে মারধর করে ১০টি বার ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লুণ্ঠিত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ছিল ২ কোটি ১৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা এবং ভুক্তভোগীকে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো হয়েছিল।
ঘটনার পর ২৭ অক্টোবর শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হলে ডিবি পুলিশ অভিযান শুরু করে। সাদিকুলকে পঞ্চগড় থেকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যে অন্য আসামিদের ধরা হয়। অভিযানে আলমগীরের বাড়ি থেকে ২৯ লাখ টাকা, সাদিকুলের বাড়ি থেকে ১৮ লাখ টাকা এবং আসাদুজ্জামানের গরুর খামারের অফিস থেকে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা নিশ্চিত করেছে।







