সমকাল অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে একটি প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়েছে যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, যদি সংসদীয় নিম্নকক্ষের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় উচ্চকক্ষ অব্যাহত থাকে, তবে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আলোকিত বাংলাদেশ জানায় যে, এই কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উচ্চকক্ষের মধ্যে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করে তাকে স্পিকারের দায়িত্বে রাখার প্রস্তাবও উপস্থাপন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যদি উচ্চকক্ষের মেয়াদ নিম্নকক্ষের মেয়াদের সমান না হয় এবং উচ্চকক্ষ অব্যাহত থাকে, তবে সেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা সম্ভব হতে পারে।

কমিটির বৈঠকের বিবরণ

আলোকিত বাংলাদেশ অনুসারে, সংশ্লিষ্ট বৈঠকটি শনিবার, ২৪ অক্টোবর, জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫:৩০ পর্যন্ত চলেছে। এতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আইনের অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, বিচারিক স্বাধীনতা, বিচারক নিয়োগের আইন এবং সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়েছে।

কমিটিতে আরেকটি প্রস্তাবও উঠে এসেছে যে, সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতিতে স্পিকার নির্বাচিত হলে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা যেতে পারে; অন্য উপদেষ্টা পদগুলিও উভয় দলের সমঝোতায় নির্ধারিত হতে পারে। এছাড়া, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার বাড়াতে সংবিধান ধারা ৭০-এর সীমাবদ্ধতা শিথিল করার কথাও আলোচনা হয়েছে।