ডেইলি অবজারভার ও সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় সংবিধান ও সংসদ সংস্কারের অংশ হিসেবে ১০৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠনের নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুসারে, এই উচ্চকক্ষের ৫০ জন সদস্য ভোটের অনুপাতের ভিত্তিতে, ৫০ জন সংসদে দলগুলোর আসন সংখ্যার ভিত্তিতে এবং বাকি ৫ জন রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে নির্বাচিত হবেন।

ডেইলি অবজারভার জানায়, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের উত্থাপিত এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হতে পারে। এতে সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে উপদেষ্টা মনোনীত করার কথা উল্লেখ করা হয়। এছাড়া স্পিকারকে উপরাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা দেওয়া, নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

এদিকে, সমকালের খবরে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করেছেন যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। শনিবার এক বৈঠকের পর তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হবে।