সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদল ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছে। এই 'মক্কা প্রতিরক্ষা জোট'-এর লক্ষ্য হলো উত্তেজনা কমানো এবং কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজে বের করা।
তেহরানে বৈঠকের বিবরণ
সোমবারের বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাঘেরি কানি, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান আল সৌদ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন উপস্থিত থাকার কথা। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি বৈঠকের বিষয় নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন, এটি চলমান সংকটে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, মার্কিন পক্ষ আলোচনা নিয়ে আন্তরিক নয়, কিন্তু ইরান কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজস্ব উদ্যোগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টাকে ইতিবাচক অগ্রগতি বলেছেন।
মার্কিন হামলার প্রস্তুতি
এদিকে সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা সম্ভব। মার্কিন বাহিনী ইতিমধ্যে অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় পারমাণবিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি অবকাঠামো রয়েছে। তবে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং গত রোববার বলেছেন, 'আজ কোনো হামলা হবে না।' হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেছেন না।







