আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২৭ অক্টোবরের নতুন প্রজ্ঞাপনে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাতযাপনের বিষয়ে আগের বিভ্রান্তি দূর করা হয়েছে। সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত টানা সাড়ে চার মাস পর্যটকরা দ্বীপে যাতায়াত ও রাতযাপন করতে পারবেন।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান সাংবাদিকদের জানান, আগের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বর মাসে শুধু দিনভাগে যাতায়াতের নির্দেশনা থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, যা এখন সংশোধন করা হয়েছে। এবার দ্বীপে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকার পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী জানান, ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট নিয়ে যাত্রা করতে হবে। তবে জাহাজ চলাচলের জন্য এখনো বিআইডব্লিউটিএ, নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। তিনটি জাহাজ—কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া ও এমভি টেকনাফ—পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেলেও বাকি অনুমতি না পাওয়ায় এখনো যাত্রা শুরু করতে পারেনি।

দীর্ঘ এক বছর পর পর্যটক যাতায়াতের সুযোগ ফিরে আসায় দ্বীপবাসীরা স্বস্তি অনুভব করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, শিগগিরই দ্বীপে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে। অন্যদিকে, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল-রিসোর্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।