দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্ব ও অন্য ১০ পার্টির ১১ দলীয় ঐক্য দীর্ঘমার্চ শুরু করে সরকারের দফা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, মার্চটি শনিবার সকাল ৭টায় বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেইট থেকে শুরু হয়, ৮টা ২০ মিনিটে সহস্রাধিক গাড়ির বহর নিয়ে যাত্রা শুরু করা হয়।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, পথে শরীরপুরের জাজিরার নাওডোবা, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া, বাগেরহাটের ফকিরহাটের নওয়াপাড়া, কাঁটাখালী এবং খুলনার বিভিন্ন স্থানে পথসূচি বানানো হয়, এবং রুটের বিভিন্ন দিকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও আয়োজন করা হয়।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাত দফার মধ্যে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নই প্রধান দাবি, যা রাস্তায় নামনি, জনগণের দাবি, এবং সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, সমাবেশে ডা. এইচ এম হামিদুর রহমান, কোরনেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, মাওলানা মামুনুল হক, মিয়া গোলাম পরওয়ার, জালালুদ্দিন আহমদ, মুজিবুর রহমান মঞ্জু, রাশেদ প্রধান, আনোয়ারুল ইসলাম চান, মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, ১১ দফার মধ্যে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ ইত্যাদি সাত দফা দাবি তালিকাভুক্ত করা হয়।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, নেতারা ঘোষণা করেছেন যে, যদি সংসদে সাত দফা সমাধান না হয় তবে আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সরকারের দফা রূপ নিতে পারে, আর দাবি না মেটে তবে আবারও গণবিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে।
দেশ রূপান্তরের অনুযায়ী, মার্চটি ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে সমাপ্তি পেরে রাতে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে শেষ হয়।






