ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ইরান‑সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মোকাবিলায় সৌদি আরব ও ইয়েমেনে সিরিয়ার কয়েক হাজার সৈন্য মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। একাধিক ইয়েমেনি সূত্র এবং একটি সামরিক কর্মকর্তা জানান, ইতিমধ্যে শত শত সৈন্য সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে এবং আরও কয়েক হাজার সৈন্য যোগ দেবে। অন্য একটি সূত্র উল্লেখ করেছে, সিরিয়া মোট তিন হাজার সৈন্যকে সৌদি ও ইয়েমেনে মোতায়েন করতে চায়।
এই পদক্ষেপের পেছনে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারকে শক্তিশালী করা এবং হুথি আক্রমণ প্রতিহত করা লক্ষ্য। তুরস্ক ও পাকিস্তান ইতিমধ্যে সৌদি আরবের জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে; পাকিস্তানের সৈন্যও সেখানে গিয়েছে, তবে পাকিস্তান দাবি করে যে তারা ইয়েমেনে কোনো আক্রমণ চালাচ্ছে না, কেবল ড্রোন ও মিসাইলের প্রতিরোধে সহায়তা করছে। তুরস্কের সেনা সরাসরি ইয়েমেনে পাঠানো হয়নি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হিসেবে তাদের সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
গত বুধবার, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান রিয়াদে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল‑আসাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির তিন দিন পরই সিরিয়ার সৈন্যদের ইয়েমেনে পাঠানোর খবর শোনা যায়।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনও একই বিষয়কে তুলে ধরে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে হাজারো সিরিয়ান সৈন্য ইতিমধ্যে সৌদি আরব ও ইয়েমেনে পৌঁছেছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। তবে সংখ্যার ক্ষেত্রে ঢাকা পোস্টে তিন হাজার সৈন্যের পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বাংলা ট্রিবিউনে 'হাজারগুলো' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে; সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।







