পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী বছরের (২০২৭) নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন করা সম্ভব হবে। (বার্তা২৪)

অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন

আলোকিত বাংলাদেশ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ ২০২৭ সালের নভেম্বরে শুরু হবে এবং একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী ১৯ নভেম্বর মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খালের উদ্বোধন করবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, যেমন সিইজিআইএস, নদী কমিশন, বুয়েট এবং চীন, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। (আলোকিত বাংলাদেশ)

ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বার্তা২৪‑এর তথ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রায় শেষ এবং নভেম্বর ২০২৭‑এ প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (ইত্তেফাক)

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ ২০২৭ সালের নভেম্বরে শুরু হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (দেশ রূপান্তর)

আলোকিত বাংলাদেশ আরও জানিয়েছে যে, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরিতে পাঁচটি উত্তরাঞ্চলীয় জেলা—লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর—এর প্রায় তিন কোটি মানুষের উপকার হবে। এছাড়া, অর্থমন্ত্রী ফিরে আসা পর্যন্ত অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হতে পারে। (আলোকিত বাংলাদেশ)