আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও ও বগুড়ায় শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও চাহিদা বাড়েনি। ফলে বাজারে সবজির দাম কমেছে। কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় ফুলকপি ও বাঁধাকপির ফলন ভালো হয়েছে। পাইকারি বাজারে এক মণ (৪৩ কেজি) কপির দাম ৪০০ টাকা। কৃষকদের দাবি, খুচরা বাজারে একই সবজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।

সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি এলাকার কৃষক মনসুর আলী জানান, দুই বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু বর্তমান বাজারদরে বিক্রি হবে ৮০ হাজার টাকার বেশি নয়। তিনি বলেন, মণপ্রতি ৪০০ টাকা পেলে শ্রমিক খরচই ওঠে না।

এদিকে বগুড়ার মহাস্থানগড় পাইকারি বাজারে মুলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। আড়তদার রহেদুল ইসলাম জানান, দাম কমায় তাঁর প্রায় ৩০ হাজার টাকা লোকসান হবে। শঙ্করপুর গ্রামের কৃষক জাহেদুর রহমান দাম কমায় দেড় মণ মুলা বিক্রি করে বাকিগুলো রাস্তার পাশে ফেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম বলেন, অনুকূল আবহাওয়ায় আগাম চাষ বাড়ায় সরবরাহ বেড়ে দাম কমেছে। পরিস্থিতি সাময়িক। বগুড়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসমত জাহান বলেন, আলুর দাম কম থাকায় সবজির চাহিদা কমেছে।