আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটি গণভোটের রায় ও প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডার সম্পর্কিত আইনি দিক বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়নের প্রস্তাবনা তৈরি করবে।
কমিটির সদস্যসংখ্যা এখনো চূড়ান্ত হয়নি; প্রাথমিক আলোচনায় ১০ থেকে ১৫ সদস্যের কথা বলা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী থেকে তিন-চারজন এবং অন্যান্য ১০ দলের প্রত্যেকের একজন করে প্রতিনিধি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সংসদ সদস্য ও সংসদের বাইরের রাজনৈতিক নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, কমিটির কাজ ও দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। লিয়াজোঁ কমিটি দুই-একদিনের মধ্যে বসবে এবং প্রস্তাবনা শীর্ষ নেতাদের কাছে উপস্থাপন করবে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেছেন, শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আমরা এ রকম একটি কমিটি গঠন করব এবং কার্যক্রম নির্ধারণে তালিকা জামায়াতে উপস্থাপন করা হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (ENCI) ও অন্যান্য মিডিয়া (ঢাকা টাইমস, ইত্তেফাক, বার্তা২৪, ঢাকা পোস্ট) রিপোর্ট করেছে যে ENCIও একই সময়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায়কে সম্মান জানিয়ে। ENCI এর মন্তব্য অনুযায়ী, এই পরিষদটি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেবে।
কমিটির কাজের মধ্যে উপকমিটি গঠন ও পেশাজীবীদের সঙ্গে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত, যাতে বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহ করে মূল কমিটিতে সুপারিশ দেওয়া হবে। ১১ দলের বাইরের দল ও শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোকেও যুক্ত করা হবে।
কমিটির চূড়ান্ত গঠন ও প্রস্তাবনা পর্যালোচনার পর শীর্ষ নেতারা অনুমোদন দেবেন, এরপর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্ভাব্য আলোচনা চলছে।







