ইত্তেফাক জানায়, ঢাকা ট্রাফিক সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (DTCA) ১ নভেম্বর থেকে ৮৬১টি বাসে সাতটি নতুন রুটে কোম্পানি ভিত্তিক চলাচল শুরু করেছে।

এই উদ্যোগের আওতায় গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর (VIP City Transport), টঙ্গী থেকে আজিমপুর (Dhaka City Transport), মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া (Zoo City Transport), ঘাটারচর থেকে ডেমরা, ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর, ঘাটারচর থেকে ধাউর এবং নির্দিষ্ট সার্কুলার রুট অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিটি বাস নির্ধারিত রুট ও স্টপেজ মেনে চলবে, স্টপ তালিকা সংযুক্ত থাকবে, এবং চালক ও কর্মীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক ও সৌজন্যমূলক আচরণ বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত স্টপ ছাড়া যাত্রী উঠানো-নামানো নিষিদ্ধ, অতিরিক্ত যাত্রী সংগ্রহের জন্য স্টপে নির্ধারিত সময়ের বেশি অপেক্ষা করা যাবে না।

রাস্তায় অন্য যানবাহনের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও নিয়মবহির্ভূত ওভারটেকিংও নিষিদ্ধ। রুটভেদে বাসের রং আলাদা রাখা হবে যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়।

DTCA জানায়, সামগ্রিক বাস নেটওয়ার্ক ধাপে ধাপে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনা হবে। শীঘ্রই বাসে নির্ধারিত বাসস্টপ, ইলেকট্রনিক টিকিটিং ও জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু হবে।

ইত্তেফাক মন্তব্য করেছে, পূর্বে বহুবার গণপরিবহন আধুনিকীকরণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু সফল হয়নি। নতুন নিয়মে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব দূর হয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির অধীনে নির্দিষ্ট রুটে বাস চলাচল নিশ্চিত হবে, যা দুর্ঘটনা ও যাত্রী দুর্ভোগ কমাবে।

এছাড়াও, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে তাদের জীবনমান উন্নত হবে। তবে নীতিমালা প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; সঠিক বাস্তবায়ন ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, ড্রাইভার-হেলপারদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, মোটিভেশন বাড়ানোও প্রয়োজন।

ইত্তেফাক আশা করে, গণপরিবহন ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল ও উন্নত হলে যুবসমাজের কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

উৎস: ইত্তেফাক