জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্যের টেকসই সংরক্ষণ ও প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ১ নভেম্বর থেকে দেশব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে জাটকা আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও কেনাবেচায় ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদের বরাতে বাসস এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই আইনি নির্দেশনা ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়ে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সারাদেশে বহাল থাকবে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি আকারের ছোট ইলিশ (জাটকা) ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রবিধান লঙ্ঘন করলে সর্বনিম্ন ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি পরিচালিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ अभियाনের ফলে যে নতুন ইলিশের পোনা জন্ম নিয়েছে, ৮ মাস মেয়াদে বাধা ছাড়া নিরাপদে বড় হওয়ার সুযোগ পেলে আগামী মে-জুন মাসের মধ্যে সেগুলো পূর্ণাঙ্গ ইলিশে পরিণত হবে। নিষিদ্ধ কারেন্ট ও অন্যান্য অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে নদীগুলোতে জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরের সাথে সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে মাঠে রয়েছে। অন্যদিকে, জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য নিরাপত্তায় ২০টি জেলার ৯৬টি উপজেলার কার্ডধারী জেলে পরিবারকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল প্রদান করছে সরকার।







