সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ৪ থেকে ৭ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ থাকবে, বলে দেশ রূপান্তর জানিয়েছে।
এই ৮০ ঘণ্টার বিরতিতে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ১,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে, ফলে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, সরবরাহ কম থাকতে পারে ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট।
সামিটের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা মহসীনা হোসাইন দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন যে পেট্রোবাংলা ৮০ ঘণ্টার জন্য টার্মিনাল বন্ধ রাখার অনুমতি দিয়েছে।
দেশে আমদানি করা এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে, প্রতিটির দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।
গ্যাসের বিদ্যমান সংকট আরও বাড়তে পারে, বিশেষ করে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সিএনজি খাতে সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবাসিক গ্রাহকরাও গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন।
সমুদ্রের দীর্ঘদিন পরিচালনার কারণে টার্মিনালের জাহাজের কাঠামো, তলদেশ, গ্যাসীকরণ ব্যবস্থা, পাম্প, কম্প্রেসরসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ক্ষয় বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্যাস লিকেজ শনাক্তকরণ, জরুরি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং তাপ বিনিময়কারী যন্ত্র পরীক্ষা ও পরিষ্কার করা জরুরি।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, গত ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের রক্ষণাবেক্ষণ শেষে সামিটের টার্মিনাল পুনরায় চালু হলে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হবে।
সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
এই তথ্য দেশ রূপান্তর থেকে প্রাপ্ত।







