হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের শর্ত অনুযায়ী এটি চালু হলে প্রথম ও দ্বিতীয় টার্মিনালে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রাখার বিষয়টিতে প্রশ্ন ও আপত্তি তুলেছেন সংসদীয় কমিটির সদস্যরা। দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। দেশ রূপান্তর জানায়, শাহজালাল বিমানবন্দরের বর্তমান প্রথম ও দ্বিতীয় টার্মিনালের বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা ৮০ লাখ এবং তৃতীয় টার্মিনালের ক্ষমতা ১ কোটি ২০ লাখ। এই দুই টার্মিনাল বন্ধ রাখলে দেশের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে চুক্তিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান সংসদ সদস্যরা। জবাবে সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান জানান, তিনি যোগদানের আগেই এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বেবিচক শাহজালাল বিমানবন্দরের ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আগামী ১৫ বছর কোনো প্রতিযোগী বেসামরিক বিমানবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু না করার শর্তেও সম্মত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত চুক্তিটি চূড়ান্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে পাঁচ সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে অন্যান্য সদস্য ও সিভিল অ্যাভিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।