চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রশাসনের অভিযান ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার পরও টিলা কাটা বন্ধ হয়নি, ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী।

উপজেলার খালেদা কালাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে উত্তর পাইন্দং এলাকায় টিলা কাটা হচ্ছে, যেখানে প্রায় পাঁচ একর আয়তনের সরকারি রাবার বাগান সংলগ্ন প্রাকৃতিক টিলা মাটি কেটে সমতল করা হচ্ছে।

অভিযান ও জরিমানা

আগে একই এলাকায় টিলা কাটার ঘটনায় প্রশাসন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল, কিন্তু জরিমানার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আবার কাজ শুরু করেছে।

অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া

মোহাম্মদ শওকত ও তার ছেলে ইরতিসাম কালাম ইরসাল, পাইন্দং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, টিলা কাটার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে অনুমতি দিয়েছেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ জানান, তিনি আগেই টিলা কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিলেন এবং এখন পর্যন্ত টিলা কাটার অনুমতি দেওয়ার কোনো রেকর্ড নেই।

আইন ও পরিবেশগত প্রভাব

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫‑এর ৬খ ধারায় পাহাড় ও টিলা কাটা নিষিদ্ধ, প্রথম অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা, পুনরাবৃত্তিতে দুই থেকে দশ বছর কারাদণ্ড বা দুই থেকে দশ লাখ টাকা জরিমানা।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Daily Observer ও ঢাকা পোস্ট উভয়ই একই ঘটনাটি প্রতিবেদন করেছে, যেখানে টিলা কাটার কাজটি খালেদা কালাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এবং রাবার বাগান ঘেঁষে চলছে।