আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে চলমান সড়ক অবরোধের ১৩তম দিনেও স্থবির রয়েছে পর্যটন ও পরিবহন খাত। তবে কৃষি ও শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখতে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের পরিবহণ এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন এই অবরোধের আওতামুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ী ও কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাজেকবাসীর পাঁচ দফা ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
দেশ রূপান্তর ও চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই দিনে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃষিপণ্য ও শিক্ষার্থী বহনকারী যানবাহনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা অস্থিরতা ও গোলাগুলির জেরে গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।







