সমকাল অনুযায়ী, ২২ দিনের ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা আজ মধ্যরাতে শেষ হলো। ৮ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীর তীর ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে পল্লিতে জাল ও ট্রলার মেরামত, জ্বালানি ও খাদ্য সংগ্রহের ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় জেলে হারাধন জল দাস বলেন, ‘২২ দিন খুব কষ্টে কেটেছে। আমরা তো মাছ ধরা ছাড়া অন্য কোনো কাজ পারি না। নদীতে মাছ ধরে আমাদের সংসার চলে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে যেন নদীতে নামতে পারি, সে জন্য সবকিছু প্রস্তুত করে রাখছি।’

চর খোন্দকার এলাকার ট্রলারমালিক জয়নাল আবেদীনও উল্লেখ করেন, ‘অন্য সময়ের তুলনায় এবার সাগর ও নদীতে জেলেদের জালে ইলিশ কম ধরা পড়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাগরে ট্রলার পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলেরাও ইতোমধ্যে ঘাটে এসে ট্রলারে অপেক্ষা করছেন।’

প্রজনন মৌসুম শেষে ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের নদনদীতে ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের ইলিশকে জাটকা বলা হয়, সেই জাটকা ধরার, বিক্রির ও পরিবহনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। বড় আকারের ইলিশ ও অন্যান্য মাছ ধরার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও জেলেরা আশা করছেন, গতবারের তুলনায় এবার ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।

প্রথম আলো অনুযায়ী, একই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চট্টগ্রামের রসমনী ও কর্ণফুলী নদীর তীরে নৌকা নোঙর করে অপেক্ষা করা অবস্থায় শেষ হয়েছে। নৌকাগুলো মধ্যরাতের পর সাগরে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে।