ধাক্কা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮:৩০ টার দিকে কক্সবাজারের ইনানির একটি ছোট সেতুর কাছে মাটির নিচে গ্যাসের সম্ভাব্য উপস্থিতি নিয়ে কাজ করা শ্রমিকদের টিউবওয়েল খননের সময় আগুন লেগে যায়। ধোঁয়া ও গ্যাসের গন্ধের রিপোর্ট পাওয়া যায় এবং তা গ্যাসের জ্বালানি হিসেবে কাজ করার সন্দেহ বাড়ায়। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান, তিনটি অগ্নিনির্বাপন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং মূল কারণ এখনও তদন্তাধীন।

উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, মঙ্কহালি থেকে পাটুরাটেক পর্যন্ত ১৫ কিমি দীর্ঘ ৩৩কেভি লাইনটি অস্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, যাতে আগুনের সম্ভাব্য বিস্তার রোধ করা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে পড়ে। হোটেল কর্মী আল-আমিনের মতে, হোটেল কর্মীরা আগুনের দৃশ্য দেখেই ভয় পেয়েছিলেন।

বিএসএসের অতিরিক্ত তথ্য

বিএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই ইনানি এলাকায় টুপটুপ রেস্তোরাঁ রিসোর্টে আগুনে ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা থেকে আসা দুইটি পরিবার অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান ও তার পরিবার, এবং বাণাস্রী‑খিলগাঁও এলাকার অন্যান্য পরিবার। তবে, মিসেস নাসরিন আক্তার মুক্তা নামের এক স্কুল শিক্ষিকা এখনও নিখোঁজ।

বিএসএস উল্লেখ করে, মৃতদেহের ডিএনএ ফলাফল শিক্ষিকার নমুনার সঙ্গে মেলে না, ফলে তার অবস্থান অনিশ্চিত রয়ে গেছে। উভয় প্রতিবেদনের তথ্যকে একত্রে বিবেচনা করে, ইনানিতে একাধিক আগুনের ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা যায়, তবে সেগুলি একই ঘটনা কিনা তা স্পষ্ট নয়।