মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী জামেয়া লুৎফিয়া আনোয়ারুল উলুম হামিদনগর বরুণা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শাহ মনিরুজ্জামান জসিম তালুকদার (যাকে মাওলানা জসিমও বলা হয়) শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবার প্রথমে ধারণা করেন তিনি মাদ্রাসায় ছিলেন, তবে সন্ধ্যায় তিনি অচেনা স্থানে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরিবারের অভিযোগ অনুসারে, কেউ তাকে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে বা স্প্রে করে ভৈরব‑আশুগঞ্জ সেতুর নিচে ফেলে রেখে গেছেন। তার দেহে কোনো রক্তাক্ত বা শারীরিক নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, ফলে প্রাথমিক ধারণা চেতনানাশক ব্যবহারের।
স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাকে অচেতন অবস্থায় দেখে ভৈরবের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের পথে গাড়িতে তিনি মারা যান। মৃত্যুর বিষয়টি শনিবার রাত ১০টায় তার ভাতিজা মুস্তাকিম আল মুনতাজ তালুকদার নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী এবাদুর রহমান মোশাহিদ ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করেন, যেখানে মাওলানা জসিমের হাসপাতালে থাকা অবস্থার দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওর সূত্র ধরে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধারকারী যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনাটি বিস্তারিত জানেন।
ধাক্কা পোস্টের একই ঘটনায় প্রতিবেদনও উল্লেখ করেছে যে মাওলানা জসিম শুক্রবার নিখোঁজ হন, ভৈরব‑আশুগঞ্জ সেতুর নিচে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তিনি মারা যান, এবং ভিডিওটি এবাদুর রহমান মোশাহিদ পোস্ট করেছেন। উভয় সূত্রে মৃত্যুর সময় ও পরিস্থিতি একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চ্যানেল ২৪ একই তারিখে অন্য একটি ঘটনা (সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু) রিপোর্ট করেছে, যা এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মাওলানা জসিমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা সুষ্ঠু ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই তথ্য আজকের পত্রিকা অনুসারে।







