প্রথম বাংলাদেশি গবেষণা অনুযায়ী, মেজলস‑রুবেলা টিকাদান সত্ত্বেও ২৭% শিশুরা মেজলসের অ্যান্টিবডি গড়ে তুলেনি। গবেষণাটি ইডিসিআর নেতৃত্বে এবং ৩০৯টি শিশুর রক্ত পরীক্ষা করে করা হয়েছে (প্রোথম আলো ইংরেজি)।
গবেষণার মূল ফলাফল
শিশুদের মধ্যে ৬৫.৭% অ্যান্টিবডি গড়ে তুলেছে, ৬.৮% সীমান্তে এবং ২৭.৫% কোনো অ্যান্টিবডি পায়নি। ৯‑১৪ মাসের বয়সের শিশুরা বিশেষভাবে দুর্বল, যেখানে ১৫‑৫৯ মাসের বয়সে ইমিউনিটি বেশি। দুই‑তিন ডোজের টিকা একক ডোজের তুলনায় বেশি সুরক্ষা দেয়, তবে বর্তমান ইমিউনিটি স্তর মেজলসের বিস্তার থামাতে যথেষ্ট নয় (প্রোথম আলো ইংরেজি)।
টিকার কার্যকারিতার সম্ভাব্য কারণ
টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহনের তাপমাত্রা পরিবর্তন, গুরুতর অপুষ্টি এবং সঠিক ভ্যাকসিন গুণমানের অভাব ইত্যাদি কার্যকারিতা কমাতে পারে বলে টিকাসpecialist তাজুল এ. বরি উল্লেখ করেছেন (প্রোথম আলো ইংরেজি)।
জাতীয় টিকাদান অভিযান ও বর্তমান পরিস্থিতি
মার্চ মাসে মেজলসের বিস্তার পর ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত ৬ মাস‑৫ বছর বয়সী সব শিশুকে টিকাদান করা হয়। তবে অভিযান শেষের পাঁচ মাস পরও রোগের সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে (প্রোথম আলো ইংরেজি)।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য
স্বাস্থ্য মন্ত্রী সাদার্ড মো. সাখাওয়াত হুসাইন (কিছু সূত্রে হোসেন) টিকার গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিরোধিতা করে এবং গবেষণার নমুনা ছোট বলে বৃহত্তর গবেষণার প্রয়োজন উল্লেখ করেছেন (প্রোথম আলো ইংরেজি)।
রংপুরে নতুন মৃত্যু
বিএসএসের রিপোর্টে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ মাসের শিশুটি মেজলসের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়ে মারা গেছে; শিশুর নাম আদনান, বাবা মো. আবদুল আলিম (বিএসএস)। একই সময়ে রংপুর বিভাগে ৩,৬৬৩ রোগী মেজলস‑রুবেলা লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বর্তমানে ৯১ জন চিকিৎসাধীন (বিএসএস)।
অগ্রগতি ও পরবর্তী পদক্ষেপ
ইডিসিআর‑নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর গবেষণা ৩,০০০ শিশুর নমুনা নিয়ে নভেম্বরের শেষের দিকে ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে (প্রোথম আলো ইংরেজি)। এছাড়া, এক স্বাধীন পর্যালোচনা দল ১৪ অক্টোবর সোনারগাঁও হোটেলে টিকাদান ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রায় ২০% শিশুরা রুটিন টিকায় না পৌঁছানোর বিষয় তুলে ধরেছে (প্রোথম আলো ইংরেজি)।






