প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, পদত্যাগ করার ঠিক আগের দিন রাতে আসিফ মাহমুদ বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বাসায় গিয়ে বসে ছিলেন বিএনপিতে যোগদান করে 'ধানের শীষ' প্রতীকে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য। মাহফুজ আলমও একই উদ্দেশ্যে আগ্রহী ছিলেন।

রাশেদ খানের মতে, দুজনে একসাথে বিএনপিতে যোগদান ও মনোনয়নের নিশ্চিততা পাওয়ার জন্য বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বাসায় পর্যায়ক্রমে গিয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টাকে বিএনপির প্রতীকে মনোনয়ন করা বিএনপি চেয়ে নি।

বিএনপিতে সুযোগ না পেলে আসিফ মাহমুদ বাধ্য হয়ে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন এবং অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে দলটিতে তিনি কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন বলে রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন। ঢাকা টাইমসও একই দাবি অনুপ্রমাণ করেছে, যদিও সেই প্রতিবেদনে কিছু মতপ্রধান ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা ইত্তেফাকের রিপোর্টে নেই।

এনসিপির সঙ্গে আসন বণ্টন প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, বেশি আসন পাওয়ার জন্য এনসিপির শীর্ষ নেতারা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আলোচনা করলেও বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়তে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে বেশি আসন ও নির্বাচনী সুবিধার জন্য এনসিপি জামায়াত জোটে চলে গেছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এনসিপির কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত আন্দোলন করেও এর কোনো ফল আসবে না। দীর্ঘ সংগ্রাম ও যোগ্যতার মাধ্যমেই বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। জামায়াত ও এনসিপি যতই চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করুক না কেন, বিএনপি কখনোই 'বিরিয়ানি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি' করে না; বরং দলটি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী বলে রাশেদ খান জোর দিয়ে বলেছেন।