ইনকিলাব-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা ২৮৭ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই মাসে এসেছিল ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১৪৬ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ চার মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ শতাংশ।
ব্যাংকভিত্তিক হিসাবে অক্টোবর মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মাধ্যমে, যার পরিমাণ ৪৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছে ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২০ কোটি ৯৩ লাখ ডলার, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮ কোটি ৭৪ লাখ ডলার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭ কোটি ৯১ লাখ ডলার।
ব্যাংক খাতভিত্তিক হিসাবে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে অক্টোবর মাসে এসেছে ২১২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ কোটি ৩৩ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার এবং বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৯১ লাখ ডলার।
প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সামলানোর ক্ষেত্রেও রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।







