প্রথম আলো অনুযায়ী, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার সময় একটি শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে আসেন এবং পরীক্ষার সময় তা দেখে উত্তর লিখতে থাকেন।
দায়িত্বে থাকা শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন। বহিষ্কারের পর শিক্ষার্থী ও তার বন্ধুরা স্কুলে প্রবেশ করেন, এবং স্কুলের পেছনে সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে, যা শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল জব্দ করে, যা স্থানীয় জামায়াত নেতা মুহাম্মদ খাজা আহমেদের বলে জানিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিস্ফোরণের সময় তিনি নিজ কক্ষে ছিলেন এবং কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা জানেন না। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল জমা দিতে বলা হয়েছিল, কয়েকজন জমা দেয়, কিন্তু এক শিক্ষার্থী নকলের চেষ্টা করে বহিষ্কৃত হন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তে জানা গেছে মোটরসাইকেলটি খাজা আহমেদের, যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ আগামীকাল সকালে থানায় মামলা দায়ের করবে।
খাজা আহমেদ, যিনি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, বলেন ঘটনাটি রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি নিজেকে নতুন ষড়যন্ত্রের শিকার বলে উল্লেখ করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার কামাল হোসেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ ঘটনাটি সম্পর্কে জানিয়েছেন এবং তদন্তের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।







